• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

পরিমলের ছাত্রী ধর্ষণ মামলার রায় ২৫ নভেম্বর

পরিমলঢাকা: ভিকারুননিসা নূন স্কুলের বসুন্ধরা শাখার শিক্ষক পরিমলের বিরুদ্ধে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় রায়ের জন্য আগামী ২৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ঢাকার ৪ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহ উদ্দিন আহমেদ এ দিন ধার্য করেন। অভিযোগ প্রমাণের জন্য রাষ্ট্রপক্ষে ২৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী জিল্লুর রহমান তালুকদার বলেন, বাদীপক্ষ মামলা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। তারা আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি হবে মর্মে আশা করছেন।
২০১৩ সালের ২২ আগস্ট রুদ্ধদ্বার কক্ষে ধর্ষিতা ছাত্রীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। এর আগে ধর্ষিতার মাও এ মামলায় সাক্ষ্য দেন।
ভিকাররুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বসুন্ধরা দিবা শাখার দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ২০১১ সালের ৫ জুলাই রাজধানীর বাড্ডা থানায় মামলা করেন ওই ছাত্রীর বাবা মাহমুদুল হক।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ওই ছাত্রীকে প্রথমে প্রলোভন দেখিয়ে ২০১১ সালের ২৮ মে প্রথমে ধর্ষণ করেন শিক্ষক পরিমল। এ সময় ওই ছাত্রীর নগ্ন ছবি মোবাইলে ভিডিও করা হয়। পরে তাকে ব্ল্যাকমেইল করে ১৭ জুনও ধর্ষণ করা হয়।
মামলার পর ২০১১ সালের ৬ জুলাই পরিমল জয়ধরকে কেরানীগঞ্জে তার স্ত্রীর বড় বোনের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর অধিকতর তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মাহবুবে খোদা ভিকারুন নিসা নূন স্কুলের বসুন্ধরা শাখা প্রধান লুৎফর রহমান ও অধ্যক্ষ হোসনে আরা বেগমকে অব্যাহতির সুপারিশ করে শুধুমাত্র পরিমল জয়ধরকে অভিযুক্ত করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করেন।
২০১৩ সালের ৭ মার্চ পরিমলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরিমলের পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন অ্যাডভোকেট মাহফুজ মিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ